ইরানে বিক্ষোভ ও পাল্টা বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার কভারেজ

ইরানে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী তেহরানে হাজার হাজার সরকারপন্থীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভগুলি ২০১২ সালের পর থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধর্মীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত হুমকি দিয়েছিলেন যে যদি বিক্ষোভকারীদের উপর বলপ্রয়োগ করা হয় তবে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন। চলমান অস্থিরতায় উভয় পক্ষের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে মানবাধিকার সংস্থা HRANA এর মতে, ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন, এবং ১০,৬০০ এর বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরান কর্তৃপক্ষ এই বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে এবং তাদের 'সন্ত্রাসী কার্যকলাপের' নিন্দা জানাতে সারাদেশে র্যালির ডাক দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইইউ ইরানের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে, অন্যদিকে জার্মানি ইরানের সহিংসতাকে 'দুর্বলতার লক্ষণ' হিসেবে অভিহিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে সিনেটরদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা গেছে। ইন্টারনেট শাটডাউন এবং গণমাধ্যমের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণভাবে জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

Jan 12, 2026 - 20:31
 0  2
ইরানে বিক্ষোভ ও পাল্টা বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার কভারেজ

ইরানে চলমান সরকার-বিরোধী বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাজার হাজার সরকার-সমর্থক সমাবেশের এক বিশাল শোভাযাত্রা। এই ঘটনাটি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষত ২০১২ সালের পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। অস্থির পরিস্থিতি শুধু দেশের অভ্যন্তরে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এর ঢেউ লেগেছে, যার প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকি। ট্রাম্প বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বিক্ষোভকারীদের ওপর যদি শক্তি প্রয়োগ করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে বসে থাকবে না।

সংকটময় পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভগুলি ইরানের ধর্মীয় সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষেরই প্রতিচ্ছবি। অর্থনৈতিক সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি, এবং নাগরিক স্বাধীনতার উপর বিধিনিষেধ—এই সবই বিক্ষোভের প্রধান কারণ। যদিও ইরানের সরকার এই বিক্ষোভগুলোকে 'বিদেশি ষড়যন্ত্র' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এই অস্থিরতার জন্য দায়ী করেছে।

মানবাধিকার গোষ্ঠী HRANA-এর তথ্য অনুযায়ী, এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন। এছাড়া ১০,৬০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ ইরান সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে এবং গণমাধ্যমের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, যা তথ্যের অবাধ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিস্থিতিতে ইরানের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং বিরোধী দলের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রতি সামরিক হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছেন। ট্রাম্পের মতে, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করতে আগ্রহী। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন যে 'পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে' এবং তিনি সহিংসতা সৃষ্টির জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন, যদিও এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।

আন্তর্জাতিক মহল ইরানের এই পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইরানের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে, বিশেষ করে বিক্ষোভ দমনে অত্যধিক বলপ্রয়োগের প্রতিক্রিয়ায়। ইইউ-এর একজন মুখপাত্র আনওয়ার এল আনুনি বলেছেন, তারা আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ ইরানের সহিংসতার নিন্দা করে এটিকে 'দুর্বলতার লক্ষণ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। জার্মানি ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসকে ইইউ-এর সন্ত্রাসবিরোধী নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে চলেছে।

ইরানের অভ্যন্তরের চিত্র ও সরকারের অবস্থান

তেহরানে এক বিশাল সরকার-সমর্থক সমাবেশে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বর্তমান পরিস্থিতিকে 'সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরান একটি 'চার-মুখী যুদ্ধে' লিপ্ত, যার মধ্যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে 'সামরিক যুদ্ধ' এবং 'সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ' অন্তর্ভুক্ত। তিনি ট্রাম্পকে 'অবিস্মরণীয় শিক্ষা' দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত। এবারের বিক্ষোভ সেই তিক্ততাকে আরও বাড়িয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তার দেশ যুদ্ধ ও আলোচনা উভয়ের জন্য প্রস্তুত। এটি এমন এক ইঙ্গিত যে ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, কিন্তু একই সাথে সংকট সমাধানের জন্য কূটনৈতিক পথও খোলা রাখতে চায়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বিক্ষোভকারীদের দাবি শোনার কথা বলেছেন, কিন্তু একই সাথে 'দাঙ্গাকারীদের' কঠোর হাতে দমনের কথাও বলেছেন। তিনি দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল 'দাগা' ও 'বিশৃঙ্খলা' সৃষ্টি করতে চাইছে। এই মন্তব্যগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, ইরানের সরকার বিক্ষোভ দমনের পাশাপাশি জনমত নিজেদের অনুকূলে আনার চেষ্টা করছে। তবে, ইন্টারনেট শাটডাউন এবং কঠোর দমন-পীড়ন নীতি সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

তেহরানের শহরটি প্রায় পঙ্গু হয়ে পড়েছে বলে এএফপি-এর একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে মাংসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং অনেক দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতির কারণে বিকেল ৪টা বা ৫টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্ষোভের ভিডিওর সংখ্যা কমে গেছে, যা ইন্টারনেট শাটডাউনের প্রভাব। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের ইন্টারনেট পরিষেবা পুনরুদ্ধারের বিষয়ে ধনকুবের এলন মাস্কের সাথে কথা বলার পরিকল্পনা করছেন। মাস্কের স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা ইরানে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইন্টারনেট শাটডাউনের পরিস্থিতিতে জনগণের জন্য একটি বিকল্প হতে পারে। ট্রাম্প তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সাথে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে, যার মধ্যে সামরিক হামলা, সাইবার অস্ত্র মোতায়েন এবং ইরানের উপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো বিকল্পগুলি রয়েছে।

তবে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু আইনপ্রণেতা ইরানে সামরিক পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল বলেছেন যে, ইরানের উপর বোমা হামলা প্রত্যাশিত ফল নাও দিতে পারে। বরং এটি ইরানীদেরকে বহিরাগত শত্রুর বিরুদ্ধে একত্রিত করতে পারে। ডেমোক্রেটিক সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারও একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন।

ওমানের মতো দেশ, যারা ঐতিহাসিকভাবে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে, তারা এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সপ্তাহান্তে ইরান সফর করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও চলছে।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব

ইরানের এই অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যে এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে। ইসরায়েল এই পরিস্থিতিতে উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আশা প্রকাশ করেছেন যে ইরান শীঘ্রই 'স্বৈরাচারের জোয়াল' থেকে মুক্ত হবে। ইসরায়েল এবং জার্মানি সন্ত্রাসবাদ বিরোধী এবং সাইবার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যেখানে ইরান ও তার মিত্রদের (হিজবুল্লাহ, হামাস এবং হুতি) হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার খবর শুনে 'হতবাক' হয়েছেন এবং ইরান সরকারকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অত্যধিক বলপ্রয়োগের নিন্দা করেছেন।

ইরানের নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভী, যিনি শাহের পুত্র, তিনি নিরাপত্তা বাহিনী এবং সরকারি কর্মচারীদেরকে বিক্ষোভকারীদের সাথে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'জনগণের হত্যাকারীদের' সাথে জড়িত থাকার পরিবর্তে তাদের 'জনগণের সাথে দাঁড়ানোর' সুযোগ রয়েছে। পাহলভী ঘোষণা করেছেন যে তিনি দেশে ফিরে আসতে প্রস্তুত এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকারের রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান।

ভারতীয় শিক্ষার্থীরা যারা ইরানে পড়াশোনা করছেন, তারা নিরাপদ আছেন বলে সর্বভারতীয় মেডিকেল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করেছে। এটি ভারতের জন্য স্বস্তির খবর, কারণ এই ধরনের অস্থিরতায় বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

লন্ডন, প্যারিস এবং ইস্তাম্বুলে ইরান-বিরোধী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রবাসীরা ইরানের জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এই বিক্ষোভগুলো আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে সহায়তা করছে এবং ইরানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে।

ইরানে চলমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। একদিকে সরকার কঠোর হাতে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলছে, অন্যদিকে জনগণ অর্থনৈতিক দুর্দশা এবং স্বাধীনতার অভাবে ফুঁসছে। যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের হুমকি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, এবং প্রবাসীদের সমর্থন এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। ইরান কি তার অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সফল হবে, নাকি একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে, এই সংঘাতের পরিণতি শুধু ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী হবে। পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে, এবং প্রতিটি নতুন ঘটনা এই অঞ্চলে আরও অনিশ্চয়তা যোগ করছে।

What's Your Reaction?

Like Like 1
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 1
Tathagata Reporter