ভারত থেকে ২৫% শুল্ক তুলে নেবে কি আমেরিকা? ট্রাম্পের সহযোগী দিলেন ইঙ্গিত!
রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় আমেরিকা ভারতের উপর আরোপিত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাক্তন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ডেভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা জানান। তিনি বলেন, আমেরিকার চাপানো শুল্কের ফলে ভারতের রুশ তেল ক্রয়ে ব্যাপক হ্রাস ঘটেছে, যা তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করেছে। বেসেন্ট আরও অভিযোগ করেন যে ইউরোপীয় দেশগুলি ভারতের সাথে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তি করার স্বার্থে রাশিয়ার ওপর একই ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং পরোক্ষভাবে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্থায়ন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেন আক্রমণের আগে ভারতের তেল আমদানির মাত্র ২-৩% রাশিয়া থেকে আসত, যা পরে ডিসকাউন্টেড মূল্যে ১৭-১৯% এ উন্নীত হয়েছিল। কিন্তু এই পরিশোধিত তেল শেষ পর্যন্ত ইউরোপীয় দেশগুলোই কিনছিল, যা এক প্রকার আত্মঘাতী কাজ। এই মন্তব্যগুলি ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন-এর ভারত সফরের কয়েকদিন আগেই এলো। ভারত সরকার অবশ্য বরাবরই বলে আসছে যে তাদের জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ এবং বাজারের অবস্থার উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশল এবং ইউরোপের নীরবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরও স্পষ্ট করেছেন যে কীভাবে ২৫% শুল্ক ভারতের রুশ তেল ক্রয় বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। এই ঘটনা একদিকে যেমন ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে, তেমনি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্তের পেছনে যে অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক দিকগুলি কাজ করছে, তা এই শুল্ক প্রত্যাহারের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বহু বছর ধরেই জটিলতার সম্মুখীন। বিশেষ করে যখন থেকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের উপর বিভিন্ন পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তখন থেকেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ভারতের অবস্থানের উপরও আমেরিকা শুল্ক আরোপ করেছিল। তবে এখন মনে হচ্ছে, এই পরিস্থিতি একটি নতুন মোড় নিতে চলেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাক্তন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আমেরিকা হয়তো ভারতের উপর থেকে ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার করে নিতে পারে, কারণ ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে।
ডেভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে 'পলিটিকো'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট এই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভারতের উপর ২৫% শুল্ক আরোপের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়া থেকে তাদের তেল ক্রয় কমানো। বেসেন্ট দাবি করেন যে এই উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে, কারণ ভারতের শোধনাগারগুলি কর্তৃক রুশ তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি এটিকে 'একটি চেক এবং একটি বিশাল সাফল্য' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তার মতে, যেহেতু শুল্ক আরোপের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, তাই এখন শুল্ক প্রত্যাহার করার একটি 'পথ' রয়েছে।
বেসেন্টের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে ভারত যেমন তার নিজস্ব জ্বালানি সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা বলে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অধিকারের বিষয়ে অনড় ছিল, অন্যদিকে আমেরিকা ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার অর্থনীতিকে চাপে রাখার জন্য কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। ভারতের উপর শুল্ক আরোপ করা ছিল সেই কৌশলেরই অংশ। এখন যেহেতু ভারতের রুশ তেল ক্রয় কমেছে, আমেরিকার পক্ষ থেকে শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত একটি কৌশলগত পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এই বিষয়ে বেসেন্ট শুধু ভারতের উপর শুল্কের কথাই টেনে আনেননি, তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি ইউরোপীয়-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (FTA) সমালোচনা করে বলেন যে ইউরোপীয় দেশগুলি ভারতের সাথে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তি করার আশায় রাশিয়ার উপর একই ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, এর ফলে ইউরোপ পরোক্ষভাবে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্থায়ন করে চলেছে। তিনি এই বিষয়ে একটি তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন: "আমরা রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপর ২৫% শুল্ক আরোপ করেছি এবং ভারতীয় শোধনাগারগুলি কর্তৃক রুশ তেল কেনা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সুতরাং এটি একটি সাফল্য। শুল্ক এখনও বলবৎ আছে। ২৫% রুশ তেল শুল্ক এখনও রয়েছে। আমি মনে করি সেগুলি তুলে নেওয়ার একটি পথ আছে – এটিকে একটি চেক এবং একটি বিশাল সাফল্য বলা যায়।"
বেসেন্টের ভাষ্য মতে, ইউক্রেন আক্রমণের আগে ভারতের তেল আমদানির মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসত। তবে যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাওয়ায় রাশিয়া থেকে ডিসকাউন্টেড মূল্যে তেল কেনার পরিমাণ দ্রুত বেড়ে ১৭, ১৮ বা ১৯ শতাংশে পৌঁছেছিল। সবচেয়ে বড় বিদ্রূপের বিষয়টি হলো, বেসেন্ট অভিযোগ করেন যে ভারতীয় শোধনাগারগুলি এই ডিসকাউন্টেড রুশ তেল থেকে উৎপাদিত পরিশোধিত পণ্য ইউরোপীয় দেশগুলির কাছে বিক্রি করত। তিনি ইউরোপকে নিজেদের যুদ্ধের জন্য নিজেরাই অর্থায়ন করার অভিযোগ করেন, যা তিনি 'চূড়ান্ত বিদ্রূপ এবং বোকামি' হিসেবে বর্ণনা করেন।
এই মন্তব্যগুলি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন-এর আসন্ন ভারত সফরের মাত্র কয়েক দিন আগেই এগুলি করা হয়েছে। এই ইউরোপীয় নেতারা ২৫ থেকে ২৭শে জানুয়ারির মধ্যে ভারতে থাকবেন, যেখানে তারা ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং ২৭শে জানুয়ারি ১৬তম ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন শীর্ষ সম্মেলনের সহ-সভাপতিত্ব করবেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগে মার্কিন প্রশাসনের প্রাক্তন এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এই ধরনের মন্তব্য ইউরোপ এবং ভারতের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগেও এই সপ্তাহে বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের রুশ তেল কেনার বিষয়ে আমেরিকার অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনতে শুরু করেছিল, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন এবং এরপর ভারত রুশ তেল কেনা কমিয়ে দেয় এবং বন্ধ করে দেয়।" যদিও ভারত সবসময়ই এই মার্কিন শুল্ককে 'অন্যায়, অযৌক্তিক এবং অনুচিত' বলে অভিহিত করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে যে তাদের জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ এবং বাজারের অবস্থার উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়।
ইউরোপীয় কমিশন অবশ্য এরপর থেকেই নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার পদক্ষেপ নিয়েছে এবং জানিয়েছে যে রুশ অপরিশোধিত তেল থেকে প্রাপ্ত পরিশোধিত তেলের পণ্যগুলিও তাদের আমদানি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। তারা আরও বলেছে যে সদস্য দেশগুলি এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং লঙ্ঘনের জন্য দায়ী থাকবে।
ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক আগেও বিভিন্ন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল, যার মধ্যে রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি ক্রয় একটি প্রধান বিতর্কিত বিষয় ছিল। ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো একাধিকবার ভারতের সমালোচনা করেছেন, তিনি ভারতকে 'শুল্কের মহারাজ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং রুশ তেল ক্রয়কে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন। এছাড়া তিনি কেন মার্কিন নির্মিত এআই প্ল্যাটফর্মগুলি ভারতের মতো বিশাল বিদেশী ব্যবহারকারীদের পরিষেবা দিচ্ছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, যা তার বৃহত্তর বাণিজ্য সমালোচনার অংশ ছিল।
ভারতের পক্ষ থেকে সবসময়ই রুশ অপরিশোধিত তেল আমদানিতে নিজেদের অধিকারের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। ভারত সরকারের বক্তব্য ছিল যে তাদের জ্বালানি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত বাজারের পরিস্থিতি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারতের জ্বালানি চাহিদা বিপুল, এবং এই চাহিদা মেটাতে ভারত সস্তায় তেল কেনার সুযোগ পেলে তা গ্রহণ করে থাকে।
এই পুরো আলোচনার প্রেক্ষাপটে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে আসে। প্রথমত, মার্কিন প্রশাসন কীভাবে অর্থনৈতিক চাপকে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তার লক্ষ্য অর্জন করতে চায়, তা স্পষ্ট। ভারতের রুশ তেল ক্রয় হ্রাস পাওয়ায় মার্কিন কর্মকর্তাদের মনোভাব শুল্ক প্রত্যাহারের দিকে ঝুঁকেছে, যা তাদের কৌশলগত সাফল্যের প্রতীক। দ্বিতীয়ত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে যেমন তারা রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, অন্যদিকে ভারতের কাছ থেকে পরিশোধিত রুশ তেল কিনে তারা নিজেদের নীতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্য বজায় রাখছে, তা বিতর্কের বিষয়। বেসেন্টের মন্তব্য এই দ্বিচারিতা তুলে ধরেছে।
তৃতীয়ত, ভারতের জাতীয় স্বার্থ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জ্বালানি আমদানিকারক দেশ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং উচ্চ মূল্যের কারণে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। সুতরাং, যখন রাশিয়া ডিসকাউন্টেড মূল্যে তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত ছিল, তখন ভারত তার জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করে সেই সুযোগ গ্রহণ করেছিল। এটি ছিল একটি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, যা রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারত বজায় রাখতে চেয়েছিল।
চতুর্থত, মার্কিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। যদি আমেরিকা ভারতের উপর থেকে এই শুল্ক প্রত্যাহার করে, তবে এটি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে আরোপিত অন্যান্য শুল্ক এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত অন্যান্য বিতর্ক এখনও রয়ে গেছে, যা আগামীতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
পঞ্চমত, বিশ্ব অর্থনীতির উপর এর প্রভাব। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের গতিপথ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। রাশিয়ার উপর পশ্চিমা দেশগুলির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া বিকল্প বাজার খুঁজে নিয়েছে, যার মধ্যে ভারত একটি প্রধান গন্তব্য ছিল। ভারতের মতো দেশের মধ্য দিয়ে রুশ তেলের পুনরায় ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করার ঘটনা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
পরিশেষে বলা যায়, স্কট বেসেন্টের এই মন্তব্য ভারতের জন্য একটি স্বস্তির খবর হতে পারে, যদি সত্যিই মার্কিন প্রশাসন শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এটি শুধু ভারতের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, বরং এটি ইঙ্গিত দেয় যে ভূ-রাজনৈতিক চাপের মোকাবিলায় অর্থনীতি কীভাবে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন জটিল বিষয়গুলি সবসময় একাধিক প্রভাব ফেলে এবং এর চূড়ান্ত ফলাফল দেখার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। বিশেষ করে, আসন্ন ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন শীর্ষ সম্মেলনে এই বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের প্রতিক্রিয়া এবং ভারতের অবস্থান কী হয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0