ধর্মশালার ছাত্রীর মৃত্যু: অভিযুক্ত অধ্যাপক বললেন, 'দোষী প্রমাণিত হলে ফল ভোগ করতে প্রস্তুত'

হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় ১৯ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমার শনিবার জানিয়েছেন, যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে তিনি তার পরিণতি ভোগ করতে প্রস্তুত। এই ঘটনায় শুধু ধর্মশালাতেই নয়, সমগ্র রাজ্যেই তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ধর্মশালার একটি আদালত অধ্যাপককে আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে, যার পর তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগকে 'ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মৃত ছাত্রীর বাবা এই সপ্তাহে তিন ছাত্রী এবং ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার অভিযোগ, অভিযুক্তরা তার মেয়েকে হয়রানি করেছে এবং তার প্রতি জাতিগত মন্তব্য করেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, যদিও তিনি সম্পূর্ণভাবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। ছাত্রীটি গত ২৬শে ডিসেম্বর লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। অভিযোগ উঠেছে যে, সে কলেজের তিনজন মেয়ের দ্বারা র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছিল এবং অধ্যাপকের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিল। ছাত্রীর মৃত্যুর পর এই ঘটনায় বিচার চেয়ে ধর্মশালায় ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়। হিমাচল প্রদেশ সরকার এই ঘটনায় অভিযুক্ত অধ্যাপককে বরখাস্ত করেছে এবং একটি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)ও ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। অধ্যাপক অশোক কুমার গণমাধ্যমকে জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, 'ছাত্রীটি গত সেমিস্টারে আমার ক্লাসে ছিল। এই সেমিস্টারে সে অন্য একজন অধ্যাপকের ক্লাসে পড়াশোনা করছিল। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।' তিনি আরও বলেছেন যে, তার ২৬.৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে এমন অভিযোগের সম্মুখীন হননি এবং এই ঘটনা তার সুনামে আঘাত হেনেছে। তবে, তিনি তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার আশাও ব্যক্ত করেছেন। কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন যে মৃত ছাত্রীটি আসলে প্রথম বর্ষে ফেল করে দ্বিতীয় বর্ষে উঠেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আবার প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়নি। এই জটিল পরিস্থিতি এবং পরস্পরবিরোধী দাবি ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

Jan 4, 2026 - 11:28
 0  1
ধর্মশালার ছাত্রীর মৃত্যু: অভিযুক্ত অধ্যাপক বললেন, 'দোষী প্রমাণিত হলে ফল ভোগ করতে প্রস্তুত'

হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় ১৯ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় চলছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমার সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন। তিনি শনিবার পরিষ্কার জানিয়েছেন যে, যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে তিনি তার পরিণতি ভোগ করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। এই ঘটনা শুধু একটি মর্মান্তিক মৃত্যু নয়, এটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং শিক্ষকদের নৈতিকতার প্রশ্নকেও সামনে নিয়ে এসেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২৬শে ডিসেম্বর, যখন লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়। প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, সে কলেজে তিনজন ছাত্রীর দ্বারা র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছিল এবং একই কলেজের একজন অধ্যাপকের দ্বারা যৌন হয়রানির কবলে পড়েছিল। এই অভিযোগগুলো সামনে আসার পর নিহত ছাত্রীর বাবা এই সপ্তাহে তিনজন ছাত্রী এবং সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, অভিযুক্তরা তার মেয়েকে শুধু হয়রানিই করেনি, বরং তাকে লক্ষ্য করে জাতিগত মন্তব্যও করেছে, যা তার মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।

এই অভিযোগগুলির পরিপ্রেক্ষিতে এবং জনরোষের মুখে হিমাচল প্রদেশ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেয়। অভিযুক্ত অধ্যাপক অশোক কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে, অধ্যাপক শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ মিথ্যা' এবং 'ভিত্তিহীন' বলে দাবি করে আসছেন। তিনি শনিবার ধর্মশালার একটি আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন, যা তাকে আপাতত গ্রেপ্তার থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। আদালত তাকে তদন্তে সম্পূর্ণরূপে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।

আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অধ্যাপক কুমার তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা। মেয়েটি গত সেমিস্টারে আমার ক্লাসে ছিল। এই সেমিস্টারে সে অন্য একজন অধ্যাপকের ক্লাসে পড়াশোনা করছিল। সুতরাং, এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।' তিনি আরও যোগ করেন, '২৬.৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে আমি অসংখ্য ছাত্রছাত্রীকে পড়িয়েছি, কিন্তু এমন গুরুতর অভিযোগের সম্মুখীন আমি আগে কখনও হইনি। হয়তো এটাই আমার নিয়তি অথবা কর্মফল যে আমাকে এই ধরনের কলঙ্কের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এখন যেহেতু এটি ঘটেছে, আমি এটি মোকাবিলা করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।'

অধ্যাপক কুমার আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার তাকে বরখাস্ত করেছে সম্ভবত এই বিশ্বাসে যে তিনি এটি প্রাপ্য। তিনি এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন এবং যুক্তি দিয়েছেন যে, সাসপেনশন একটি নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অপরিহার্য। তার কথায়, 'মেয়েটির ন্যায়বিচার পাওয়া উচিত, এবং আমারও।' এই মন্তব্যগুলো তার আত্মবিশ্বাস এবং একই সাথে ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়।

এই ঘটনার মোড় নেয় বিশেষ করে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর। অভিযোগ রয়েছে যে, ছাত্রীটি তার মৃত্যুর আগে এই ভিডিওটি রেকর্ড করেছিল। সেই ভিডিওতে সে অধ্যাপকের অশালীন আচরণ, মানসিক হয়রানি এবং তাকে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছিল, যখন সে অধ্যাপকের অসঙ্গত আচরণের প্রতিবাদ করেছিল। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ আরও জোরালো করে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই কলেজে ঘটিত বিষয়ে একটি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সংকল্প সেবা হেল্পলাইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর একটি তদন্ত দল গঠন করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। এই ঘটনাটি এতটাই সংবেদনশীল হয়ে ওঠে যে, হিমাচল সরকার শুধু অধ্যাপককে বরখাস্ত করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা আরও বিস্তৃত তদন্তের জন্য একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে শিক্ষা সচিবের কাছে তার প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'যে বা যারা দোষী প্রমাণিত হবে, সরকার এবং শিক্ষা বিভাগ তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেবে।' তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, পুলিশের তদন্তও সমান্তরালভাবে চলছে এবং উভয় তদন্তের ফলাফল বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শুধু রাজ্য সরকার নয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)ও এই ঘটনায় অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে হস্তক্ষেপ করেছে। UGC এই ঘটনাকে 'দুর্ভাগ্যজনক' আখ্যা দিয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে। UGC-এর অফিস আদেশে বলা হয়েছে যে, এই কমিটি ঘটনার আশেপাশের পরিস্থিতিগুলি, কলেজের কার্যকর্তাদের দ্বারা কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পরীক্ষা করবে। এই পদক্ষেপগুলি নিশ্চিত করে যে, ঘটনাটির একটি নিরপেক্ষ এবং বিস্তারিত তদন্ত হবে, যা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে।

এই ঘটনার পাশাপাশি, ধর্মশালায় শিক্ষার্থী মৃত্যুর প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়। সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন বিচার চেয়ে রাস্তায় নেমে আসে। তাদের দাবি, দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জোরালো হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ধর্মশালা কলেজের অধ্যক্ষ রাকেশ পাঠানিয়া মৃত ছাত্রীর একাডেমিক স্ট্যাটাস সম্পর্কে কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, 'মৃত ছাত্রীটি ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল। এরপর নতুন সেশনে সে দ্বিতীয় বর্ষের কয়েকটি ক্লাস করেছিল। তবে, যখন তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়, তখন দেখা যায় যে সে তিনটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। তাই তাকে আবার প্রথম বর্ষে ক্লাস করার কথা বলা হয়েছিল।' অধ্যক্ষ এও জানান, ছাত্রীটি প্রথম বর্ষে পুনরায় ভর্তি হয়নি। তার মানে, এখন তাকে কলেজের নিয়মিত ছাত্রী বলা যায় না, কারণ সে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেনি। অধ্যক্ষ আরও ব্যাখ্যা করেন, 'আমরা ২২ শে ডিসেম্বর এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি, যখন পুলিশ তদন্তের জন্য আমাদের কলেজে আসে। আমরা পুরোপুরি সহযোগিতা করেছি, তবে এর আগে আমরা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।' এই তথ্যগুলো ঘটনার জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, কারণ ছাত্রীর একাডেমিক পরিস্থিতি এবং তার কলেজের সাথে সম্পর্ক নিয়েও কিছু অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।

এই ঘটনাটি ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিক্ষকদের নৈতিক দায়িত্বের উপর গভীর প্রশ্ন তুলেছে। র্যাগিং এবং যৌন হয়রানির মতো সমস্যাগুলি শুধুমাত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হওয়া উচিত নয়, বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা এবং সংস্কৃতিতে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক একটি পবিত্র বন্ধন, যেখানে একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের অভিভাবকতুল্য হন। যখন এই সম্পর্কের পবিত্রতা নষ্ট হয়, তখন তা সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এই ঘটনার তদন্তের ফলাফল এবং এর পরবর্তী পদক্ষেপগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধুমাত্র নিহত ছাত্রীর পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে না, বরং দেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রেও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। সরকারের উচিত এমন একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের অভিযোগ জানাতে পারবে এবং দোষীদের দ্রুত ও যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। একই সাথে, ছাত্রদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং তাদের উপর পড়াশোনার চাপ, র্যাগিং বা অন্যান্য হয়রানির প্রভাব মোকাবিলায় মনোসামাজিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থাও জোরদার করা উচিত।

সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমার তার শিক্ষকতা জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং তার সুনাম নিয়ে প্রশ্ন করার পাশাপাশি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার প্রস্তুতির কথা বলেছেন। এটি একদিকে যেমন তদন্তের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য তার আত্মবিশ্বাস প্রদর্শন করে, তেমনি এটি জনমনে প্রশ্ন তোলে যে, একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ কীভাবে উঠল। তার ভাষ্যমতে, তিনি যদি দোষী প্রমাণিত হন, তবে তার পরিণতি ভোগ করতে প্রস্তুত। এখন দেখার বিষয়, বিভিন্ন কমিটির তদন্ত এবং আদালতের প্রক্রিয়া কিভাবে এই মর্মান্তিক ঘটনার সত্য উন্মোচন করে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। এই পুরো ঘটনাটি শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা এবং নৈতিকতার গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরেছে।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0
Tathagata Reporter