অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলা: হরিদ্বার এসপি-এর দাবি, 'ভিআইপি' জড়িত নয়; বিরোধীরা সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব

অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলায় জড়িত কোনো 'ভিআইপি' নেই - হরিদ্বারের এসপি (গ্রামীণ) শেখর সুয়াল এই দাবি করেছেন, যা মামলার তদন্তের গতিপথ সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঘটেছিল, যেখানে পাউড়ি জেলার একটি রিসেপশনিস্ট অঙ্কিতা ভান্ডারী খুন হন। এই ঘটনায় রিসর্টের মালিক পুলকিত আর্য এবং আরও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরে এই মামলায় একজন 'ভিআইপি'-এর জড়িত থাকার বিষয়ে ব্যাপক জল্পনা চলছিল। সম্প্রতি, প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক সুরেশ রাঠোরের স্ত্রী উর্মিলা সানওয়ার কিছু ভিডিও এবং অডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি দাবি করেন যে অঙ্কিতা হত্যা মামলার সেই 'ভিআইপি' একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি, যার নাম 'গাট্টু' এবং তিনি উত্তরাখণ্ডের একজন শীর্ষ বিজেপি নেতা। এই অভিযোগগুলি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং বিরোধীরা অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। তবে, এসপি শেখর সুয়াল শনিবার সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, তদন্ত চলাকালীন কোনো 'ভিআইপি'-এর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে চ্যাট এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় উল্লিখিত ধর্মেন্দ্র কুমার ওরফে প্রধান, যিনি নয়ডার বাসিন্দা, তিনি অঙ্কিতার বন্ধু ছিলেন এবং কোনো ভিআইপি নন। সুয়াল আরও জানান, ধর্মেন্দ্র কুমার অঙ্কিতার খুনের দু'দিন আগে কিছু কাজের জন্য ওই এলাকায় এসেছিলেন এবং অল্প সময়ের জন্য ভানান্তরা রিসর্টে খাবার খেয়েছিলেন। রিসর্টের রেকর্ড এবং কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিরোধীরা, বিশেষ করে কংগ্রেস, এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, মামলার গভীরে উচ্চ প্রোফাইল ব্যক্তিদের যোগসূত্র থাকতে পারে এবং স্থানীয় পুলিশের তদন্ত পর্যাপ্ত নয়। তারা ক্রমাগত সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছে, যাতে সমগ্র সত্য উন্মোচিত হয়। উত্তরাখণ্ড সরকার অবশ্য জানিয়েছে যে, যদি কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, তবে তারা যেকোনো তদন্তের জন্য প্রস্তুত। এই মামলাটি উত্তরাখণ্ডে জনমনে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো হচ্ছে। একটি তরুণী মেয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ড এবং এর সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য প্রভাবশালীদের বিষয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও সন্দেহ বিরাজ করছে। পুলিশের এই নতুন ঘোষণা বিরোধীদের সিবিআই তদন্তের আন্দোলনকে আরও ইন্ধন জোগাচ্ছে। আগামী দিনে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, তার দিকে সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে। অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলাটি শুধু একটি ফৌজদারি মামলা নয়, এটি সমাজের দুর্বল অংশের জন্য ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশের স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ এই মামলায় বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Jan 4, 2026 - 11:46
 0  1
অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলা: হরিদ্বার এসপি-এর দাবি, 'ভিআইপি' জড়িত নয়; বিরোধীরা সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব

উত্তরাখণ্ডের পাউড়ি জেলায় তরুণী রিসেপশনিস্ট অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলাটি গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনাটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই মামলায় রিসর্টের মালিক পুলকিত আর্য এবং তার সহযোগী দুজন ইতিমধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তবে, সম্প্রতি এই মামলায় একজন 'ভিআইপি'-এর জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। হরিদ্বারের এসপি (গ্রামীণ) শেখর সুয়াল সম্প্রতি একটি বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছেন যে, তদন্তে কোনো 'ভিআইপি'-এর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা বিরোধীদের মধ্যে প্রবল অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে এবং তারা সিবিআই তদন্তের দাবিতে আরও সোচ্চার হয়েছেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও পূর্ববর্তী তদন্ত:

অঙ্কিতা ভান্ডারী, ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী, পাউড়ি জেলার ঋষিকেশের কাছে গঙ্গাভোগে অবস্থিত ভানান্তরা রিসর্টের রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। অভিযোগ, রিসর্টের মালিক পুলকিত আর্য, যিনি একজন প্রভাবশালী বিজেপি নেতার পুত্র, অঙ্কিতাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন। অঙ্কিতা রাজি না হওয়ায়, পুলকিত তার দুই সহযোগী, ম্যানেজার সৌরভ ভাস্কর এবং অঙ্কিতাকে পাউড়ি ডিরেক্টরের কাছে নিয়ে যাওয়ার পথে থাকা অনকিত গুপ্তের সহায়তায় অঙ্কিতাকে ঋষিকেশ-চিলা খালের ধারে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর, পুলকিত আর্য, সৌরভ ভাস্কর এবং অনকিত গুপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং প্রমাণ লুকানোর অভিযোগ আনা হয়। একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে এবং ২০২৩ সালের মার্চ মাসে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

গোড়ার দিকেই এই মামলায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জড়িত থাকার বিষয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে যে পুলকিত আর্য তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনার পর রিসর্টটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনাও অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়, কারণ এতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

ভিআইপি' তত্ত্ব এবং নতুন বিতর্ক:

সম্প্রতি, এই মামলায় 'ভিআইপি' জড়িত থাকার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক সুরেশ রাঠোরের স্ত্রী উর্মিলা সানওয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভিডিও এবং অডিও প্রকাশ করেন। এই ভিডিওগুলিতে তিনি দাবি করেন যে অঙ্কিতা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেই 'ভিআইপি' আসলে 'গাট্টু' নামক একজন ব্যক্তি এবং তিনি উত্তরাখণ্ডের একজন প্রভাবশালী বিজেপি নেতা। উর্মিলা সানওয়ারের এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জনমনে আবারও উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে এবং অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন যে, মামলার মূল তদন্তে কেন এই 'ভিআইপি'-এর নাম সামনে আসেনি।

উর্মিলা সানওয়ারের এই দাবির পর, সুরেশ রাঠোর, যাকে বিজেপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, দ্রুত তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন যে তার কণ্ঠস্বর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এবং তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই অডিওগুলি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা মামলাটিকে আরও জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে ওঠে।

হরিদ্বার এসপি-এর নতুন ঘোষণা

বিরোধীদের সিবিআই তদন্তের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং 'ভিআইপি' জড়িত থাকার জল্পনার মধ্যে, হরিদ্বারের এসপি (গ্রামীণ) শেখর সুয়াল সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। গত শনিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলার তদন্তে কোনো 'ভিআইপি'-এর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এসপি সুয়াল ব্যাখ্যা করেন যে, তদন্ত চলাকালীন চ্যাট এবং জিজ্ঞাসাবাদে যার কথা বারবার উঠে আসছিল – নয়ডার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র কুমার ওরফে প্রধান – তিনি আসলে অঙ্কিতার একজন বন্ধু ছিলেন, কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি নন। সুয়াল আরও বিস্তারিতভাবে জানান, ধর্মেন্দ্র কুমার অঙ্কিতা খুন হওয়ার দু'দিন আগে কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্য ওই এলাকায় এসেছিলেন। এই সময় তিনি অল্প সময়ের জন্য ভানান্তরা রিসর্টে খাবার খেয়েছিলেন। পুলিশের দাবি, রিসর্টের রেকর্ড এবং রিসর্টের অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং তথ্য যাচাইয়ের পর তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, এই মামলায় রহস্যময় কোনো 'ভিআইপি'-এর উপস্থিতি নেই।

বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া এবং সিবিআই তদন্তের দাবি

এসপি শেখর সুয়ালের এই ঘোষণার পর বিরোধী দলগুলি, বিশেষ করে কংগ্রেস, তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা এসপি-এর এই দাবিকে 'তদন্তকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা' বলে আখ্যায়িত করেছে এবং আবারও সিবিআই তদন্তের দাবিকে জোরালো করেছে। তাদের যুক্তি, যদি সত্যি কোনো ভিআইপি জড়িত না থাকেন, তাহলে কেন এত জল্পনা এবং কেনই বা উর্মিলা সানওয়ারের মতো ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করছেন? বিরোধীরা মনে করেন, স্থানীয় পুলিশের তদন্তের উপর জনমনে আস্থা কম এবং এই ধরনের একটি সংবেদনশীল মামলায় নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্তের জন্য সিবিআই-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাদের মতে, উচ্চ প্রোফাইল ব্যক্তিদের জড়িত থাকার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না, এবং সম্পূর্ণ সত্য উন্মোচন করতে হলে গভীরতর তদন্ত অপরিহার্য।

উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকার অবশ্য জানিয়েছে যে, যদি এই 'ভিআইপি' জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, তবে তারা যেকোনো প্রকার তদন্তের জন্য প্রস্তুত। এই বিবৃতি একদিক থেকে সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রাখার ইঙ্গিত দেয়, তবে অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করেন, এই ধরনের একটি গুরুতর অভিযোগের জন্য 'বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ'-এর অপেক্ষায় থাকা অর্থহীন। তাদের দাবি, অভিযোগ যখন উঠেছে, তখন তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত, এবং তা পুলিশের পরিবর্তে সিবিআই-এর মতো সংস্থার দ্বারা পরিচালিত হওয়া জরুরি।

মামলার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব:

অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলাটি শুধু উত্তরাখণ্ডেই নয়, গোটা দেশে নারী নিরাপত্তা এবং সুবিচারের ধারণার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এই ঘটনাটি সমাজের দুর্বল অংশের উপর প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষমতা প্রদর্শনের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না গেলে, তা সমাজের প্রতি একটি ভুল বার্তা দেবে বলে অনেকে মনে করছেন।

রাজনৈতিকভাবেও এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ক্ষমতাসীন দলের নেতার পুত্রের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং পরবর্তীতে 'ভিআইপি' জড়িত থাকার জল্পনা সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিরোধীরা এই ইস্যুকে ব্যবহার করে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আগামী নির্বাচনেও এই মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আইনি প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা:

মামলাটিতে ইতিমধ্যেই তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রাপ্তি। তবে, 'ভিআইপি' জড়িত থাকার বিষয়ে নতুন অভিযোগগুলি মামলাটিকে নতুন মোড় দিয়েছে। যদি বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে নতুন করে তদন্ত শুরু হতে পারে, এবং সেক্ষেত্রে আরও অনেকে এই মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। বিশেষ করে, উর্মিলা সানওয়ারের অভিযোগগুলি যদি প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়, তাহলে এটি রাজনৈতিক মহলে বিশাল প্রভাব ফেলবে।

সিবিআই তদন্তের দাবিটি এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনার উপর নির্ভর করছে। যদি সরকার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়, তাহলে মামলার গতিপথ সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে। সিবিআই-এর নিরপেক্ষতার কারণে জনমনে আস্থা বাড়তে পারে এবং মামলার গভীরে লুকিয়ে থাকা সত্য উন্মোচিত হতে পারে।

অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলাটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বাইরেও অনেক গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। হরিদ্বার এসপি-এর 'ভিআইপি' জড়িত না থাকার দাবি এবং বিরোধীদের সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় থাকা - এই দুটি ভিন্ন অবস্থান ঘটনার জটিলতা বাড়িয়ে তুলেছে। এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দেওয়া এবং সমাজে নারী সুরক্ষার বার্তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই গোটা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এই সময়ে অত্যাবশ্যক। আগামী দিনগুলোতে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0
Tathagata Reporter